গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে রিক্তা বেগম (২৫) নামে এক গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার রাত সাড়ে ৩টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাস...
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে রিক্তা বেগম (২৫) নামে এক গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার রাত সাড়ে ৩টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।
নিহত রিক্তা বেগমের স্বামী মোর্তুজা মোল্লা মুকসুদপুর ইউএনও অফিসের নৈশ্ প্রহরী। মিথিলা আক্তার লিমা নামে তার ৩ বছরের এক মেয়ে রয়েছে।
নিহতের চাচা আলামিন মোল্লা জানান, ৫ বছর আগে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি গ্রামের ইমান উদ্দিন ওরফে বাসু মোল্লার ছেলে মোর্তুজা মোল্লার সঙ্গে একই উপজেলার বোড়াশী ইউনিয়নের ভেন্নাবাড়ী গ্রামের নুর আলম মোল্লার মেয়ে রিক্তা বেগমের বিয়ে হয়। আর্থিক লেনদেনসহ খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে মোর্তুজার সঙ্গে শ্বশুর বাড়ির লোকজনের বিরোধ ছিল।
সম্প্রতি এ বিরোধ চরম আকার ধারণ করায় মোর্তুজা তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করছে বলে তিনি দাবি করেন।
মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুর রহমান জানান, রোববার রাত ২টার দিকে নৈশ প্রহরী মোর্তুজা মোল্লার বাসায় কে বা কারা ঢুকে তার স্ত্রী রিক্তা বেগমের গলা কেটে চলে যায়। এ সময় তিনি গলা কাটা অবস্থায় ৩ বছরের মেয়েকে নিয়ে রুম থেকে বের হয়ে আসেন।
পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গাড়িতে করে তাকে প্রথমে মুকসুদপুর উপজেলা হাসপাতালে এবং পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রিক্তা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের হেফাজতে নেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু নাঈম মো. মারুফ খান বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই। অবস্থা খারাপ দেখে রিক্তা বেগমকে গাড়িতে করে প্রথমে মুকসুদপুর হাসপাতালে ও পরে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠাই। সেখানে তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের হেফাজতে নেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু নাঈম মো. মারুফ খান বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই। অবস্থা খারাপ দেখে রিক্তা বেগমকে গাড়িতে করে প্রথমে মুকসুদপুর হাসপাতালে ও পরে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠাই। সেখানে তিনি মারা যান।

COMMENTS