নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এসিড ছুঁড়ে স্ত্রী ইয়াসমিনকে হত্যার দুই বছর পর স্বামী পলাশকে (৪০) আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী। বৃহস্পত...
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এসিড ছুঁড়ে স্ত্রী ইয়াসমিনকে হত্যার দুই বছর পর স্বামী পলাশকে (৪০) আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার বিকেলে ফতুল্লার ভূঁইগড় এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পলাশ ভূঁইগড় এলাকার আহম্মদ উল্লাহর ছেলে।
নিহত ইয়াসমিনও একই এলাকার গুলজার হোসেনের মেয়ে।
ইয়াসমিনের ভাই শাহ আলম বলেন, ১৫ বছর আগে ভূঁইগড় এলাকার পলাশের সঙ্গে তার বোনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের ১ ছেলে ও ২ মেয়ের জন্ম হয়। এরপর পলাশের সঙ্গে পারিবারিক কলহ সৃষ্টি হলে বোন আমাদের বাড়ি চলে আসে।
তিনি বলেন, এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ২০১৫ সালের ২৩ মার্চ রাত দেড়টার দিকে জানালার ফাঁক দিয়ে ইয়াসমিনের শরীরে এসিড ছুঁড়ে মারে পলাশ ও তার সঙ্গে থাকা লোকজন। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইয়াসমিনের মৃত্যু হয়। এঘটনায় পুলিশ দেবর-ননদসহ ৫ জনকে আটক করলেও পলাশ পলাতক ছিল। ফতুল্লা মডেল থানার ওসি কামাল উদ্দিন জানান, এলাকাবাসী পলাশকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

COMMENTS