বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমেদ বিচার বিভাগ বিভাগ ও সুপ্রিম কোর্টের প্রধান মুখপাত্র হয়েছেন ...
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমেদ বিচার বিভাগ বিভাগ ও সুপ্রিম কোর্টের প্রধান মুখপাত্র হয়েছেন কিনা, সেই প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ও মওদুদ আহমেদ কি বিচার বিভাগ ও সুপ্রিম কোর্টের প্রধান মুখপাত্র? তা না হলে গায়ে পড়ে এসব কথা বলছেন কেন?’
মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) রাতে অনুষ্ঠিত বিএনপির জরুরি সংবাদ সম্মেলনের প্রতিক্রিয়া জানাতে ডাকা আওয়ামী লীগের এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপির জরুরি সংবাদ সম্মেলনের পরপরই এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের অভিযোগ করেন, নিশ্চিত শাস্তির আশঙ্কা থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করতেই বিএনপি নেতারা কূটকৌশলের আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘দুর্নীতির দায়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাইকোর্টে সাজা হয়েছে। এতিমদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত বেগম খালেদা জিয়ার মামলার বিচারকাজ শেষ পর্যায়ে। তাই নিশ্চিত শাস্তির আশঙ্কা থেকেই নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের মধ্যে দূরত্ব তৈরির কৌশল নিয়েছে বিএনপি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি নেত্রী একাধিক দুর্নীতির মামলার আসামি হয়ে দেড়শ বার আদালতে অনুপস্থিত থেকে বিচার বিভাগ ও আইন বিভাগের প্রতি ব্যক্তিগত অশ্রদ্ধা ও অসম্মান দেখিয়েছেন। তার দল ও দলের নেতাদের মুখে বিচার বিভাগের মর্যাদার কথা শোভা পায় না।’
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কখনই বিচার বিভাগের বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করেননি। দেশের যেকোনও নাগরিক প্রকাশিত রায়ের গঠনমূলক সমালোচনা করতে পারেন। সে কারণে প্রধানমন্ত্রী বিচার বিভাগকে নয়, কেবলমাত্র একটি রায়ে উল্লেখিত অপ্রাসঙ্গিক ও অপ্রয়োজনীয় কিছু পর্যবেক্ষণ ও মন্তব্যের বিষয়ে গঠনমূলক কথা বলেছেন। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে একাধিক দুর্নীতি মামলার আসামি বিএনপি নেতা মওদুদ আহমেদ, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, খন্দকার মোশাররফ হোসেনসহ বিএনপি নেতারা বিভ্রান্ত করার জন্য মিথ্যাচার ও প্রতারণামূলক অভিযোগ তুলে অপরাজনীতি করছেন।’

COMMENTS